Mazadul Hasan Shishir 0 14:30 1-φ এবং 3-φ মোটরের কথা ত অনেক শুনেছি কিন্তু 2-φ মোটর কি আসলেই চালানো সম্ভব? ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র হওয়া মানে ফেজ, আর্থিং, নিউট্রাল এই শব্দগুলোর সাথে আপনার রীতিমত বন্ধুত্ব হওয়া। প্রায়শ আমরা সিংগেল ফেজ, থ্রি ফেজ মোটরের কথা শুনে থাকি। কিন্তু দুই ফেজ মোটর কি? এটি কি বাস্তবে নির্মাণ করা সম্ভব? যদি সম্ভব হয় তাহলে এটির এত অপ্রতুলতা কেন? চলুন আলোচনা করা যাক।২ ফেজ মোটর বাস্তবে পরিচালনা করা সম্ভব। বিংশ শতাব্দীর দিকে ওয়েস্টিংহাউজ যখন টেসলার আবিষ্কৃত এসি পাওয়ার উৎপাদন করত তখন দুই ফেজ অল্টারনেটর, মোটরের ব্যবহার শুরু হয়।একে বলা হত টু ফেজ ফোর ওয়্যার সিস্টেম। এখন অনেকে বলতে পারেন, দুই ফেজ হলে ফোর ওয়্যার সিস্টেম কেন হবে?এটি ত আর থ্রি ফেজ সিস্টেম নয় যে আপনি নিউট্রাল ব্যবহার না করলেও চলবে। এখানে প্রতি ফেজের সাথে একটি করে নিউট্রাল লাইন জুড়ে দেয়া হত। যার দরুণ একে টু ফেজ ফোর ওয়্যার সিস্টেম বলা হত।এই সিস্টেমে ফেজ ভোল্টেজ ৯০° কৌণিক অবস্থানে থাকে। পরবর্তীতে দেখা যায়, থ্রি ফেজ এবং সিংগেল ফেজ সিস্টেমে দুই ফেজের তুলনায় সংযোগ অনেক সরল, সহজ এবং ফল্ট ডিটেকশন করাও যায় অনায়সেই। তাই দুই ফেজ সিস্টেমের ব্যবহার পরবর্তীতে কমে আসে৷দুই ফেজ মোটর নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে আমার প্রকাশিত Ebook-3 ক্রয় করতে পারেন। "ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা" নামক ই-বুকটিতে আরো আছে, মোটর রিউইন্ডিং, স্টার ডেল্টা সার্কিট, মোটর সিরিজ ল্যাম্প টেস্ট, মোটর/ট্রান্সফরমার ইন্সুলেশন টেস্টিং ডিভাইস, মোটর এক্সাইটেশন, ক্যাবল, ব্রেকার, বাসবার ক্যালকুলেশন আলোচনা করা হয়েছে অতি সহজভাবে ও গল্পের ছলে।আমার সবগুলো বই এর তালিকাঃইবুক১ঃ ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজইবুক২ঃ সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত ইবুক৩ঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা ইবুক৪ঃ পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডাইবুক৫: চায়ের আড্ডায় পি এল সি ইবুক৬: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি৬টি ইবুক সুলভ মূল্যে পেতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন অথবা what's app 01741994646 1-φ এবং 3-φ মোটরের কথা ত অনেক শুনেছি কিন্তু 2-φ মোটর কি আসলেই চালানো সম্ভব? ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র হওয়া মানে ফেজ, ... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:30 কখনো কি লক্ষ্য করেছেন, কোথাও আগুন লাগলে তার নিকটবর্তী পাওয়ার লাইন ট্রিপ করে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ চলে যায়? সে অনেক বছর আগের কথা। সময়টি ছিল মধ্যরাত। সবাই গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। হুট করে ঘুম ভেঙে যায় মানুষের সোরগোল শুনে। জানালা খুলে দেখি আমাদের নিকটবর্তী একটি ফুড বেকারিতে আগুন লেগেছে। সবাই প্রাণপণে ছুটছে আগুন নেভানোর কাজে। লক্ষ্য করলাম, হুট করে মাথার উপর ফ্যানটাও বন্ধ হয়ে গেল। তখন হয়ত তড়িৎ প্রকৌশলটা মাথায় আসেনি কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন টাইমে ব্যাপারটা আমাকে বেশ ভাবিয়েছিল। এবার আসা যাক কারিগরি এক্সপ্লেনেশনে।মনে করুন, একটি পোলের দুটো লাইভ লাইন একে অপরের সংস্পর্শে চলে আসল। তাহলে কি ঘটবে? কি ঘটবে সেটার উত্তর বলার আগেই ঘটে যাবে ফ্ল্যাশ ওভার বা শর্ট সার্কিট দূর্ঘটনা। একটু স্মার্টনেসের সহিত টেকনিক্যালি যাকে আমরা বলি "লাইন টু লাইন ফল্ট"দুটো লাইভ লাইনের সংস্পর্শ ছাড়াও কিন্তু এই ফল্ট হতে পারে। লাগল ত ঝটকা! কিভাবে সেটা? যাকে অনুভব করা যায় কিন্তু দেখা যায়না এমন কেউ এই কান্ডটি ঘটিয়ে থাকে। যাক আসল রহস্য বলেই ফেলি নাহলে এটি কোন থ্রিলিং মুভির স্ক্রিপ্ট হয়ে যাবে।আমি হাওয়া বা বাতাসের কথা বলছি। আমরা জানি, বায়ু ইন্সুলেটর হলেও নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এটি কন্ডাক্টরের মত আচরণ করে। অর্থাৎ আগুন থেকে উপযুক্ত তাপমাত্রা পেলে দুটো লাইভ লাইনের মধ্যে হাওয়া থাকা আর একটি পরিবাহী তার থাকা একই কথা। কারণ এখানে বায়ু এখন ইন্সুলেটর নয় একটি দুটো লাইভ লাইনের মধ্যে কন্ডাক্টিভ চ্যানেল।তাই ঘটে যায় লাইন টু লাইন ফল্ট। আর সিগন্যাল যায় ডিস্ট্যান্স প্রটেকশন রিলে বাবুর কাছে এবং সেই অনুয়ায়ী ACR (Automatic Circuit Recloser) ও সজাগ হয়ে খুব দ্রুত পাওয়ার শাট ডাউনের ডিউটি পালন করে।কেমন লাগল আর্টিকেলটি? আমি নিশ্চিত কারিগরি এবং বাস্তবিক গল্পের সংমিশ্রণে আপনি এতটুকুও একঘেয়ে অনুভব করেননি। ব্যক্তিবিশেষে ভিন্নতা থাকতেই পারে। ইশ! যদি ডিপ্লোমা বা বিএসসি থাকাকালীন সবগুলো কোর্সের পড়া এভাবে পাওয়া যেত?চিন্তার কোন কারণ নেই। BSC/Diploma পাসকৃত নবীন ও অভিজ্ঞ ভাইদের কথা চিন্তা করে আমার লিখা ৬টি ই-বুকঃ📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয় নিয়ে খুটিনাটি হাদিয়ার বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app 01741994646এই বইগুলো মূলত ভাইবা বোর্ডে বিভিন্ন Technical প্রশ্নের উত্তর দিতে Confidence ও মনে রাখার কৌশল বাতলে দিবে। ধন্যবাদ কখনো কি লক্ষ্য করেছেন, কোথাও আগুন লাগলে তার নিকটবর্তী পাওয়ার লাইন ট্রিপ করে এবং দ্রুত বিদ্যুৎ চলে যায়? সে অনেক বছর আগের কথা। সময়... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:29 আজকে এমন একটি প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব যেটা EEE জগতে এক বহুল আলোচিত & ভাইবা বোর্ডের কমন একটি প্রশ্ন। যেটা হল Transmission & distribution voltage গুলো 11KV, 33KV, 66KV,132KV কেন হয়? কেন তারা 11 এর গুণিতক? কেন 10, 30, 60, 120 নয়?? চলুন এর ব্যাখ্যা খুঁজি। অনেকের ধারণা ফর্ম ফ্যাক্টর 1.11 হয় বলে, ভোল্টেজ প্যাটার্ন গুলো এরুপ হয়। 10 x 1.11 = 11.130 x 1.11 = 33.360 x 1.11 = 66.6120 x 1.11 = 133.2বাস্তবে এ ধারণা সঠিক নয় কারণ 120 ভোল্ট কে 1.11 দিয়ে গুণ করলে 132KV আসছেনা। আর ফর্ম ফ্যাক্টর হল RMS & Average value এর Ratio। সেটা গুণ করার কোন মানে নেই। তাইলে সঠিক কোনটি??তার আগে একটা উপমা দিই। ধরুন, আপনি রাজশাহী থেকে ৫০০ আম চট্টগ্রামে পাঠানোর কন্টাক্ট পেলেন। তখন আপনি কি বরাবর ৫০০ আমই পাঠাবেন?? অবশ্যই নয়। কারণ, পথিমধ্যে ছিনতাই হতে পারে কিংবা আম পচে যেতে পারে। তাই কিছু ব্যাক আপ রাখতে হবে। ৫০ টা বাড়তি দিতে হবে।একইভাবে পাওয়ার ট্রান্সমিশন /ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আসল ভোল্টেজের থেকে ১০% অতিরিক্ত ভোল্টেজ প্রেরণ করে। কারণ, তারা ভালই জানে যে পথিমধ্যে সিস্টেম লস হবে। এখন তাইলে আসুন হিসেব করলে দাঁড়ায়,10 + 10 x 10% = 11 KV30 + 30 x 10% = 33 KV60 + 60 x 10% = 66 KV120 + 120 x 10% = 132 KVএখন অনেকের মাথাই প্রশ্ন ঘুরতেছে আমি খালি 10, 30, 60, 120 কেই হিসেবে আনতেছি কেন?আমাদের দেশে মূলত জেনারেটিং & ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশানগুলো এই ভোল্টেজ উৎপন্ন করে। পরবর্তীতে ব্যাক আপ সহ উক্ত ভোল্টেজগুলো প্রেরণ করে। হুম একটু কম বেশি হতেই পারে। তবে এ হিসাব অন এভারেজ।ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্যানেল ডিজাইন, অটোমেশন, ট্রান্সফরমার সবকিছুর যৌথ আস্বাদ পেতে আমার লিখা ইবুকগুলোর তালিকাঃ📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন ABC এর মত সহজ📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি কিছু সম্মানির বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app 01741994646 আজকে এমন একটি প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করব যেটা EEE জগতে এক বহুল আলোচিত & ভাইবা বোর্ডের কমন একটি প্রশ্ন। যেটা হল Transmission & distributi... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:28 ট্রান্সফরমারের অয়েল ট্যাংকে তেলে পানিরউপস্থিতি কিভাবে সনাক্ত করা হয়? ধরুন আপনি যে সাবস্টেশনে জব করেন তার কমিশনিং চলছে। আপনার সিনিয়র আপনাকে বলল, ট্রান্সফরমার অয়েলে পানি আছে কিনা তা পরীক্ষা করতে। তখন কি করবেন? আমরা জানি , একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোকের কয়েক মাস পর পর মেডিকেল চেক আপের দরকার হয়। তারশরীরের সব অংশ ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা জানার জন্য। একইভাবে ছয় মাস বা এক বছর অন্তরঅন্তর সাবস্টেশনের ডিভাইসগুলোরও সুস্থতা যাচাই করা হয়। তারপর কোন সমস্যা পেলে সঠিকসমাধানের প্রচেষ্টা করা হয়। একে বলে সাবস্টেশন কমিশনিং।কমিশনিংকালে ট্রান্সফরমার বুশিং,কয়েলের ইন্সুলেশন টেস্ট করা হয়। আর বর্ষাকাল বা শীতকাল হলে ট্রান্সফরমারের পাইরিনল তেলেরআর্দ্রতার পরিমাণ যাচাই করা হয়।এবার আসা যাক মূল প্রশ্নে । কিভাবে এই উপস্থিতি সনাক্ত করব?ট্রান্সফরমার অয়েলে পানি , কুয়াশা বা জলীয়বাষ্পের উপস্থিতি নির্ণয় করা যায় ক্র্যাকল টেস্টে র মাধ্যমে ।এ পরীক্ষা করতে হলে , সামান্য পরিমাণ তৈল একটি টিউবে নিয়ে বুনসেন বার্নারের নীরব শিখার (silentflame) দ্বারা গরম করতে হবে অথবা একটি গরম ধাতব দন্ড এক কাপ তেলের মধ্যে সামান্য পরিমাণেডুবালে যদি চড়চড় শব্দ (cracking sound) শোনা যায় তবে বুঝতে হবে ঐ তৈলে র মধ্যে পানিরউপস্থিতি রয়েছে । ক্র্যাকিং সাউন্ডে র সাথে মিল রেখে এই টেস্টটির নামকরণ ক্র্যাকল টেস্ট করা হয়।কি সহজেই বুঝে গেলাম ক্র্যাকল টেস্ট! শুধু ক্র্যাকল টেস্ট কেন? ট্রান্সফরমার এর বিভিন্ন টেস্টিং, স্ট্রাকচার, মজাদার আর্টিকেল পেতে আমার লিখা "ট্রান্সফরমার মহাশয় এর খুটিনাটি" ইবুক টি লুফে নিন খুব সুলভ মূল্যে।শুধু একটি ইবুক নিলে কি চলে? সেই সাথে রয়েছে আরো ৫টি ম্যাজিকাল ইবুকঃ📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজ📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সিসম্মানির বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app 01741994646 ট্রান্সফরমারের অয়েল ট্যাংকে তেলে পানিরউপস্থিতি কিভাবে সনাক্ত করা হয়? ধরুন আপনি যে সাবস্টেশনে জব করেন তার কমিশনিং চলছে। আপনার সিন... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:28 অনেকসময় দেখা যায় বাসায় বৈদ্যুতিক লোড কম, কিন্তু বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে। এর পেছনে বৈদ্যুতিক রহস্য কি আজ আলোচনা করবঃ বছরখানেক আগে গ্রামে গিয়েছিলাম। গ্রামের এক চাচীর বাসায় শুধু একটি ফ্যান, একটি দুটো লাইট জ্বলে। কিন্তু অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল আসে। এদিকে গ্রামের সবাই গুজব রটাতে শুরু করল যে, চাচীর বাসায় ভূত আছে যে বিদ্যুৎ খায়!অতঃপর আমি চাচীর বাসার এনার্জি মিটারের দিকে লক্ষ্য করে দেখলাম মিটারের আউটপুট সাইডের নিউট্রালকে একটি রড দিয়ে মাটিতে আর্থিং করা হয়েছে এবং যে পোল থেকে মিটারে লাইন নেয়া হয়েছে তা আর্থিং করা হয়নি। আমি ব্যাপারটা বুঝে গেলাম। তারপর পল্লী বিদ্যুৎ এর সার্ভিসম্যানদের এনে চাচীর বাড়ির বৈদ্যুতিক মিটারের সাপ্লাই সাইডের নিউট্রালকে আর্থিং করে দিই। এরপর থেকে আলহামদুলিল্লাহ আর কোন সমস্যা হয়নি। যাস্ট ভাবুন! একটি টেকনিক্যাল আইডিয়াই পুরো ঘটনার মোড় ঘুরিয়ে দিল।কিন্তু ভাই পুরো ঘটনাই ত মাথার উপরে দিয়ে গেল! কিভাবে কি হল! নো টেনশন একটু বুঝিয়ে বলি। পল্লী বিদ্যুৎ বা যেকোন বিদ্যুৎ কোম্পানির পোল থেকে ত আর আপনি একা লাইন নেন না ভাই! অনেক গ্রাহকই তার ফেজ, নিউট্রাল লাইন ব্যবহার করছে। এখন বিদ্যুৎ সবার বাড়িতে ফেজ লাইন হয়ে যায় কিন্তু সেই নিউট্রাল লাইন হয়ে আবার পোলের আর্থিং লাইন দিয়ে টাটা bye bye করে মাটিতে চলে যেতে চায়। এখন যদি বিদ্যুৎ কোম্পানি তাদের পোলের নিউট্রাল লাইনকে আর্থিং না করে তখন খেসারত দিতে হবে প্রতিবেশীকে। কারণ বিদ্যুৎ এতকিছু বুঝবেনা সে শুধু ভূমিতে রিটার্ন ব্যাক করতে চাইবে। যখন পোলের আর্থিং লাইন পাবেনা সে চাইবে নিকটবর্তী কোন প্রতিবেশীর মিটারের আর্থিং করা লাইন দিয়ে মাটিতে চলে যেতে। যেটা খুবই স্বাভাবিক। মানুষ যেমন বের হওয়ার এক রাস্তা বন্ধ হলে বিকল্প রাস্তা খুজে বিদ্যুৎ ও তার ব্যতিক্রম নয়।এখন আরেক বাসার বিদ্যুৎ যদি আপনার মিটারের লোড সাইডের আর্থিং লাইন দিয়ে যায় তাহলে মিটার বেচারা মনে করবে আপনার বাসার লোডগুলো এক্টিভ! তাই সে তার মত রিডিং বাড়িয়েই যাবে! আর বাড়তি বিল গুণতে হবে আপনাকে। যেমনটা চাচীর সাথে হয়েছিল। তাই আমি চাচীর মিটারের আর্থিং লোড সাইডে না করে, ইনপুট/সাপ্লাই সাইডে করে দিতে বলেছি।তার মানে যা দাড়ালোঃযদি আপনার লোকাল পোল (যেখান থেকে সার্ভিস লাইন নেয়া হয়েছে) এ আর্থিং/গ্রাউন্ডিং করা না থাকে তাহলে আপনার এনার্জি মিটারের ইনপুট/সাপ্লাই সাইডের নিউট্রাল N কে আর্থিং করতে হবে।তাই এসব ব্যাপার ভূতুড়ে নয় বরং পুরোটাই টেকনিক্যাল।আমরা ট্রাবলশুটিং, ক্যালকুলেশনে যত এক্সপার্ট হব, কর্মক্ষেত্রেও সবার কাছে তত স্মার্ট হিসেবে পরিচিতি লাভ করব। এর পাশাপাশি আমাদের পাওয়ার সিস্টেম, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্যানেল ডিজাইন, অটোমেশন, ট্রান্সফরমার নিয়ে জানাটাও জরুরি।তাই সবকিছুর যৌথ আস্বাদ পেতে আমার লিখা ইবুকগুলোর তালিকাঃ📘Ebook1: ইলেকট্রিক্যাল যখন ABC এর মত সহজ📘Ebook2: সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্ত📘Ebook3: ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা📘Ebook4: পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা📘Ebook5: চা এর আড্ডায় পি এল সি📘Ebook6: ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি কিছু সম্মানির বিনিময়ে ই-বুকগুলো (সফটকপি) ইনবক্সে নক দিন অথবা what's app 01741994646 অনেকসময় দেখা যায় বাসায় বৈদ্যুতিক লোড কম, কিন্তু বিদ্যুৎ বিল বেশি আসে। এর পেছনে বৈদ্যুতিক রহস্য কি আজ আলোচনা করবঃ বছরখানেক আগে গ্... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:27 রিভারক্রসিং ট্রান্সমিশন ফেজ লাইন যখন নদীতে ছিড়ে পড়ে, তখন কি হবেঃ নৌকা দিয়ে মেঘনা নদী পার হচ্ছিলাম। হঠাৎ মাথায় এল, যদি 132kV, 230kV, 400kV রিভার ক্রসিং ট্রান্সমিশান লাইনগুলোর Live wire যদি নদীতে ছিঁড়ে পড়ে আর প্রটেকশন সিস্টেম যদি কাজ না করে তাইলে কি ঘটবে? পানি একটি উত্তম পরিবাহী। পানির সাথে বিদ্যুৎ এর সম্পর্ক রোমিও জুলিয়েটের মত। তবে এই আমার এই কথায় একটু খাদ আছে। শুধু পানি হলেই হবেনা সেটা হতে হবে অবিশুদ্ধ পানি। অর্থাৎ যে নদী বা লেকের উপর তার ছিড়ে পড়বে সেই নদী বা লেকের পানির বিশুদ্ধতার উপরেও নির্ভর করছে বিদ্যুৎ পরিবহনের ব্যাপার টি।আচ্ছা ধরেই নিলাম অবিশুদ্ধ পানির উপরেই Live Line ছিড়ে পড়ল। তাইলে কি হবে?যদি অবিশুদ্ধ পানির উপরে লাইভ লাইনটি ছিড়ে পড়ে তাইলে ত বিদ্যুৎ আনন্দে আত্নহারা হয়ে যাবে এবং সেই ভার্জিন ওয়াটার এর সাথে রিলেশান তৈরি করবে। জলাশয়টি হাইড্রোইলেক্ট্রিক ফিল্ড এ রুপান্তরিত হবে। অবিরাম বিদ্যুৎ পরিবহনের দরুণ তাপ সৃষ্টি হয়ে পানিতে বুদবুদ সৃষ্টি করতে পারে। নদীর কতটুকু এরিয়া বিদ্যুতায়িত হবে নির্ভর করবে ভোল্টেজ লেবেলের উপর। এবার একটা প্রশ্ন সবার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে যে যদি ওই মুহূর্তে যদি কেউ সাঁতার কাটে তাইলে সেই বেচারার কি হাল হবে? এখন ওই লোকটি বিদ্যুতায়িত হবে কিনা সেটা নির্ভর করবে নদীর গভীরতার উপর। লোকটি যদি জলাশয়ের তলদেশ স্পর্শ করে থাকে তাইলে একটি পূর্ণ বর্তনী তৈরি হতে পারে। আর তখন ই শক খাবে। সাধারণত নদী, লেকের গভীরতা ১০০-৩০০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। তাই এক্ষেত্রে ঝুকি নেই। কিন্তু ছোট খাট বদ্ধ পুকুর ডোবা হলে ঝুকি থাকবে। আর এই অনাকাংখিত ঘটনাটি ঘটবার সম্ভবনা খুব ই কম। কারণ রিভার ক্রসিং ট্রান্সমিশান লাইন গুলোর স্যাগ অনেক বেশি। তাই ছিড়ে পড়ার সম্ভবনা খুব কম।পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে এরকম ভিন্ন রকম তথ্যসমৃদ্ধ মজার আর্টিকেল পেতে আমার লিখা "পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডা" ই-বুক টি নিতে পারেন। শুরুটা হোক শুরু থেকে হোক। অনেক সদ্য পাস করা ডিপ্লোমা/বিএসসি নবীন ভাইয়েরা চিন্তিত থাকেন ভাইবা নিয়ে। ব্যাসিক ত ভূলে গেছি! আবার অনেক সিনিয়র ভাই প্রফেশনাল কাজে মনে হয়, "ইশ! যদি আবার থিওরিটা জাবর কাটা যেত?!''আপনাদের জন্য আমার ৬টি স্পেশাল ই-বুকঃই-বুক ১ঃ ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজই-বুক ২ঃ সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্তই-বুক ৩ঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনাই-বুক ৪ঃ পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডাই-বুক ৫ঃ চা এর আড্ডায় পি এল সিই-বুক ৬ঃ ট্রান্সফরমার মহাশয়ের খুটিনাটি সামান্য হাদিয়ার বিনিময়ে ৬টি ইবুক পেতে ইনবক্সে নক দিয়ে ইমেইল আইডি শেয়ার করুন অথবা What's app 01741994646 রিভারক্রসিং ট্রান্সমিশন ফেজ লাইন যখন নদীতে ছিড়ে পড়ে, তখন কি হবেঃ নৌকা দিয়ে মেঘনা নদী পার হচ্ছিলাম। হঠাৎ মাথায় এল, যদি 132kV, 230... Read more »
Mazadul Hasan Shishir 0 14:26 সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। অনেকেরই এ বি সি লাইসেন্স এক্সাম আছে। তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনা করতে এলাম। যদি ভাইবা বোর্ডে আস্ক করে বসে, "ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনে কোন ধরনের ব্রেকার ব্যবহৃত হয়?"আপনি বিনা সংকোচে উত্তর দিলেন ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার (VCB)। কিন্তু যদি ব্রেকারটির সিলেকশন প্রসেস, ব্রেকিং ক্যাপাসিটি, ফাংশন নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাহলে পারা যাবে কি? তাই যেকোন টপিকের (A-Z) জানাটা ভাইবা বোর্ডের জন্য খুবই জরুরি।যে সার্কিটের ব্রেকার ভ্যাকুয়াম বা শূন্য মাধ্যমে সৃষ্ট আর্ক অবদমন করতে সক্ষম তাকে ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকার বলে।★সাধারণত 33/11 kV ডিস্ট্রিবিউশন সাবস্টেশনের জন্য এই ব্রেকারটি ব্যবহার করা হয়।★তবে এই ব্রেকারের ভোল্টেজ রেটিং 3 থেকে 38 kV পর্যন্ত হয়ে থাকে।★ভ্যাকুয়াম সার্কিট ব্রেকারে এক ধরনের চেম্বার থাকে যা ভ্যাকুয়াম ইন্টারাপ্টার চেম্বার নামে পরিচিত। কিন্তু এই ধরনের ব্রেকার সিলেকশন করব কিভাবে? ইন্ডাস্ট্রিয়াল মোটর রিউইন্ডিং নিয়ে আরো বিস্তারিত, তার বডিগার্ড MPCB, বাসবার সাইজ সিলেকশন, HT(11,33kV) লাইনের ক্যাবল সাইজ সিলেকশন, HT side ব্রেকার নির্বাচন, পিএফআই স্টেজ ক্যালকুলেশন, এক্সাইটেশন সিস্টেম তাও গল্পে গল্পে, মোটর নেইমপ্লেইট এর আদ্যপন্ত বিশ্লেষণ ----অন্যরকম মজাদার সব আর্টিকেল থাকছে আপনাদের জন্য আমার Ebook/3 ( ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা) বইতে।আমার ৬টি মজাদার ই-বুক এর তালিকাঃই-বুক ১ঃ ইলেকট্রিক্যাল যখন এ বি সি এর মত সহজইবুক ২ঃ সাবস্টেশন এবং সুইচগিয়ারের ময়নাতদন্তইবুক ৩ঃ ইন্ডাস্ট্রিয়াল জটিল টপিকের সরল আলোচনা ইবুক ৪ঃ পাওয়ার সিস্টেম নিয়ে আড্ডাইবুক ৫ঃ চা এর আড্ডায় পি এল সিইবুক ৬ঃ ট্রান্সফরমার মহাশয় নিয়ে খুটিনাটি সম্মানির বিনিময়ে ই-বুক নেয়ার জন্য ইনবক্সে নক করুন অথবা What's app 01741994646 সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। অনেকেরই এ বি সি লাইসেন্স এক্সাম আছে। তাই একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আলোচনা করতে এলাম। যদি ভাইবা বোর্ডে... Read more »